কোলাজেন এক ধরনের প্রোটিন। আমাদের ত্বকের গঠন ঠিক রাখতে, কোমলতা ও স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখে কোলাজেন নামের এই প্রোটিন। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে প্রতি বছর এই কোলাজেন তৈরির পরিমাণ কমতে থাকে। এই কারণে ত্বক কুঁচকে যায়। বয়সের আগেই যেন বয়স বৃদ্ধির ছাপ বোঝা যায়।

কোলাজেন এক ধরনের প্রোটিন। আমাদের ত্বকের গঠন ঠিক রাখতে, কোমলতা ও স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখে কোলাজেন নামের এই প্রোটিন। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে প্রতি বছর এই কোলাজেন তৈরির পরিমাণ কমতে থাকে। এই কারণে ত্বক কুঁচকে যায়। বয়সের আগেই যেন বয়স বৃদ্ধির ছাপ বোঝা যায়।
বাঙালি মানেই মিষ্টি। এমনিতে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। পুজো মানেই মিষ্টিমুখ করা। আর বাঙালি মানেই কম বেশি মিষ্টি খেতে ভালোবাসে। তবে মিষ্টি খাওয়ার আগে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। একটা বিষয় খেয়াল করে দেখেছেন কি, মিষ্টি খাওয়ার পরে আমাদের খুব জল খেতে ইচ্ছে করে। যদিও মিষ্টি খাওয়ার পরে জল খাওয়ায় কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু মিষ্টি খাওয়া পরে জলপান কি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? কী বলছেন পুষ্টিবিদ? মিষ্টি খাওয়ার পরে জল খেলে কী কী উপকার মিলবে? শরীরে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থেকে ● মিষ্টি...
ত্বকের যত্ন বলতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রথমে মনে পড়ে রূপটানের কথা। কিন্তু দেহের সামগ্রিক সুস্থতায় ত্বকের যত্ন অত্যন্ত জরুরি। বিশেষত গরমকালে প্রখর তাপ ও ঘামের কারণে ত্বকের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। তাই এই সময়ে ত্বকের প্রয়োজন হয় অতিরিক্ত যত্নের। ঘরোয়া টোটকা, বাজারচলতি প্রসাধনী তো রয়েছেই। সেই সঙ্গে কয়েকটি ফল যদি রোজকার পাতে রাখতে পারেন, তা হলে গরমকালেও ত্বকে থাকবে জেল্লা।
মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে যে খাবারগুলি এড়িয়ে চলেন অনেকেই, ময়দা সেই তালিকায় উপরের দিকেই থাকে। ময়দায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট। অথচ কেক থেকে লুচি— ময়দা ছাড়া গতি নেই। উৎসবের মরসুমে প্রতি দিনই পাতে থাকছে এই ধরনের খাবারদাবার। রসনাতৃপ্তি হলেও, শরীরের ক্ষতি হয়। অনেকেই সেই জন্য ময়দার কিছু বিকল্প খোঁজেন। রইল ময়দার কিছু স্বাস্থ্যকর বিকল্পের সন্ধান।
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে গলদঘর্ম অবস্থায় এক গ্লাস মিষ্টি আখের রস মন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। তবে শুধু গ্রীষ্মকাল কেন, শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা স্বাদের খেয়াল রাখার পাশাপাশি শরীরের যত্নেও ভরসা হোক আখের রস।
আঙুরে থাকা ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ভালো রাখে। সাহায্য করে রোগ প্রতিরোধেও। ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধা এবং হাড়ের সুরক্ষায় সাহায্য করে আর পটাশিয়াম রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। আবার হৃৎপিন্ডের স্বাস্থ্যও ভালো রাখতে সাহায্য করে। বাজারে তিন ধরনের আঙুর পাওয়া যায়। লাল কালো ও সবুজ। ভাবছেন, কোন আঙুর খাওয়া ভালো?
পেয়ারা পুষ্টিগুণে ভরপুর। রোজ খেলে কী কী উপকার হবে আবার বেশি খেলে কী সমস্যা হতে পারে, জেনে নিন।
ডায়েট করার সময় আপনার অজান্তেই কিছু ভুল প্রভাব ফেলে শরীরের বিপাকহারের উপর। কোন কোন অভ্যাস আপনার বিপাকহারের উপর প্রভাব ফেলছে?
ধনেপাতা স্বাদে যেমন খাসা, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিসের রোগীরাও নিশ্চিন্তে রান্নায় ধনেপাতা খেতে পারেন। রান্নার সময় রোজ যে একমুঠো ধনেপাতা কুচি ডালে, মাছের ঝোলে, তরকারিতে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, তার উপকারিতা কত জেনে রাখুন।
কোলেস্টেরল-আর্টারি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে বেদানা। বেদানার রস তাই রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুণ উপযোগী। এর পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে রোজ খান বেদানার রস।
কাজুবাদাম ছাড়া পায়েসের কথা ভাবা যায় না। তেমনই পোলাওয়ে কাজুবাদাম দিলে স্বাদ বদলে যায়। তবে কাজুবাদাম খেলে ওজন বাড়ে, অনেকের তেমনটাই ধারণা।
রেস্তরাঁতে পেটপুজোর পর মৌরি খেতে দেওয়া হয়। মৌরি হজমে সাহায্য করে। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই মৌরি শুধু মুখশুদ্ধি হিসাবেই নয়, রান্নাতেও ব্যবহার করা হয়। শুধু মৌরি চিবিয়ে খেলেই যে এর উপকার পাওয়া যায় তা নয়, মৌরি-জলও সমান উপকারী।
শীতকালের একটি পুষ্টিকর সব্জি হল মুলোশাক। দামও কম। মুলোশাক ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ফোলেট এবং ক্যালশিয়ামে পরিপূর্ণ। এই সব্জিকে শীতকালীন স্বাস্থ্যের সুপার হিরো বলা যেতে পারে। সস্তার এই শাকের পুষ্টিগুণ প্রচুর। তাই একে খাদ্য তালিকায় রাখা যেতে পারে।
গ্যাসের সমস্যায় কমবেশি প্রত্যেকেই ভোগেন। সঙ্গে অ্যাসিডিটি, বদহজম, পেটে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা তো রয়েইছে। এ সবের মূল হল, কারণ জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং খারাপ খাদ্যাভ্যাস। যে কারণে আমাদের পরিপাক ক্ষমতা ভীষণ ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। আর তার ফলে বিভিন্ন রকম সমস্যার দেখা যায়।
এখনকার জীবনযাত্রা আমাদের প্রতিদিনের জীবনকে প্রভাবিত করছে। মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ঠিকমতো ঘুম না হওয়া, নিত্যদিনে রুটিন ঠিক না থাকা এখন আমাদের প্রতিদিনের জীবনের একটা অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমাদের স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হচ্ছে। শুধু তাই নয় এর জেরে আমাদের যৌনজীবনও প্রভাবিত হয়।