জিনঘটিত কারণেও ডায়াবিটিস বাসা বাঁধতে পারে। এর অর্থ হল, পরিবারে কারও ডায়াবিটিস থাকলে বাড়ির ছোট সদস্যদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যে পরিবারে বড়রা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত সেই পরিবারের ছোটদের প্রতি বাড়তি সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন।

জিনঘটিত কারণেও ডায়াবিটিস বাসা বাঁধতে পারে। এর অর্থ হল, পরিবারে কারও ডায়াবিটিস থাকলে বাড়ির ছোট সদস্যদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যে পরিবারে বড়রা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত সেই পরিবারের ছোটদের প্রতি বাড়তি সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন।
আক্রান্ত শিশু রাগারাগি করলে তাকে বকুনি দেওয়ার পরিবর্তে তার সঙ্গে ভালোবেসে কথা বলে ভালো-মন্দ বোঝাতে হবে।
যেকোনও টনসিল গ্রন্থির সংক্রমণ হলেই সেটাকে ‘টনসিলাইটিস’ বলে। টনসিল লাল হয়ে যায়, ফুলে ওঠে। প্যালেটাইন টনসিল ও অ্যাডিনয়েড টনসিল সংক্রমণের ফলে বড় হয়ে যাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিক ঘটনা।
উপসর্গ অনুযায়ী— জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল সিরাপ বা ট্যাবলেট শিশুদের ওজন অনুযায়ী দিতে হবে। প্যারাসিটামল শুধু জ্বরই কমায় না —ক্ষতের জন্য যে ব্যথা হয়, তাও কমায়।
বাজি-পটকা পোড়ানোর মানে হল— আগুন নিয়ে খেলা। এই আগুন নিয়ে খেলার সময় শিশুদের এমন সাবধানে রাখতে হবে যাতে কোনও অঘটন না ঘটে। এখন দেখা যাক সে জন্য কী কী সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন।
দুধ খাওয়ার পর শিশুকে কাঁধে নিয়ে পিঠে আস্তে আস্তে হাত বুলিয়ে ঢেকুর তোলাতে হয়। একবার দুধ খেলে দু’বার ঢেকুর তুলবে। দরকারে কাঁধে নিয়ে ঘুরতে হবে। দু’বার ঢেকুর তোলার পরেই শিশুকে শোয়াবেন।
প্রথম সন্তান স্ত্রীর বয়স ২০ বছর হওয়ার পরেই এবং অবশ্যই ২৫ বছর বয়সের আগে নেওয়া উচিত। দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে প্রথম সন্তানের ৩-৪ বছর পরে এবং স্ত্রীর বয়স ৩০ বছর হওয়ার আগেই নেওয়া উচিত।
বেশিরভাগ মায়েরই অভিযোগ— বাচ্চা খেতে চায় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ কোনও রোগের কারণে শিশুর খাবার ইচ্ছা কমে যেতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা অত কিছু জটিল নয়।
মা অনেক সময় শিশুকে অতিরিক্ত খাইয়ে ফেলেন। এর ফলে পেট ফুলে যায়— উপরের দিকে চাপ পড়ে ও পেট ব্যথা হয়।
জ্বরে আক্রান্ত হওয়া মানবদেহের বিকাশের একটি প্রাকৃতিক অঙ্গ। কারণ এটি যতবার হয় ততই শারীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। শুধু জ্বর কোনও স্বাস্থ্য সমস্যার তাৎক্ষণিক গুরুতর লক্ষণ নয়।
যে কোনও ভ্রমণেই শিশুদের আগ্রহ লক্ষণীয় এবং শিশুদের সাহচর্য ছাড়া ভ্রমণের আনন্দ হয় অসম্পূর্ণ। ভ্রমণের সময় শিশুদের জন্য কী কী সতর্কতা প্রয়োজন এবং সঙ্গে কী কী ওষুধপত্র রাখতে হবে জেনে নিন।
বেশিরভাগ শিশুই কোনও ওষুধই খেতে চায় না। সেটা তরল ওষুধই হোক বা ট্যাবলেট হোক,শিশুদের এই ওষুধ না খেতে চাওয়ার পিছনে কিছু কারণ আছে।
শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যাধির অন্যতম প্রধান কারণ হল, শৈশবকালীন অ্যাজমা বা হাঁপানি। সাধারণত পাঁচ বছর বয়স থেকেই হাঁপানি দেখা যায়। অবশ্য তার কম বা বেশি বয়সেও হাঁপানি শুরু হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় যেহেতু মায়ের শরীরে আরও একজনের অবস্থান থাকে, তাই ভ্রূণের যথাযথ বৃদ্ধির জন্য মাকে নিয়মিত দেনিক স্বাভাবিকের থেকে ৪০০ থেকে ৫০০ কিলোক্যালারি বেশি খাবার গ্রহণ করতে হবে।
শিশুদের বাবা-মা এবং শিক্ষকদের জলে ডুবে যাওয়া প্রতিরোধের জন্য প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তাঁদের শেখাতে হবে জলে ডুবে গেলে কীভাবে শিশুদের তৎক্ষণাৎ জল থেকে তুলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে।